নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-৫ উপনির্বাচনে বিএনপি প্রাথী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সন্ত্রাসী দিয়ে আমার পোলিং এজেন্ট ও দলীয় নেতাকর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা যেন বাড়ি-ঘরে থাকতে না পারেন সেজন্য ভয়ভীতি দেখাচ্ছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। গত রাতেও কদমতলী থানা এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এই সন্ত্রাসী বাহিনী নানা অপকর্ম করেছে। এ ঘটনায় বোঝা যায় তারা সুষ্ঠু নির্বাচন চায় না। তারা সন্ত্রাসের মাধ্যমে আসন দখল করতে চায়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর নিজের নির্বাচনী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন। এর আগে সকাল নয়টা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারের সময়সীমা শেষ হয়। তাই পূর্বনির্ধারিত গণসংযোগ কর্মসূচি বাতিল করে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপির এই প্রার্থী।

সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী প্রচারণায় গণমাধ্যমের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগামী ১৭ তারিখ নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তা অব্যাহত রাখার আহবান জানান বিএনপির এই প্রার্থী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমেদের পুত্র ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমার পোলিং এজেন্ট ও দলীয় নেতা-কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা যেন বাড়ি-ঘরে থাকতে না পারেন সেজন্য ভয়ভীতি দেখাচ্ছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। গত রাতেও কদমতলী থানা এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এই সন্ত্রাসী বাহিনী নানা অপকর্ম করেছে। এ ঘটনায় বোঝা যায় তারা সুষ্ঠু নির্বাচন চায় না। তারা সন্ত্রাসের মাধ্যমে আসন দখল করতে চায়।

ভোটার, পোলিং এজেন্ট, প্রধান নির্বাচনী এজেন্টসহ তার নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য কমিশনের কাছে দাবি জানিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে একাধিকবার অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্ত এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

এলাকার যাবতীয় উন্নয়ন আমি করেছি, পথঘাটহীন অনুন্নত ও গ্রামীণ এই জনপদকে আধুনিক শহরে রূপান্তর আমার হাত দিয়েই হয়েছে দাবি করে সালাহউদ্দিন বলেন, আমার দলে কোনো কোন্দল নেই। দলের সব নেতাকর্মী ধানের শীষের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ। অন্যদিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ চারটি ভাগে বিভক্ত।

স্থানীয় ভোটারদের উদ্দেশে বিএনপি প্রার্থী বলেন, আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন। যাকে খুশি ভোট দিন। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি ও থাকব। কারণ আমি এ এলাকার সন্তান। বাইরে থেকে এসে নির্বাচন করছি না।

সালাহউদ্দিন আহমেদ আরো বলেন, আমার দলে কোনো কোন্দল নেই। দলের সব নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ধানের শীষের পতাকা তলে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ চারটি ভাগে বিভক্ত। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার কোন্দলকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়েছে, যা এলাকাবাসী জানে।