নিউজ ডেস্ক: নাটোরের বড়াইগ্রামে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী মিঠু (৩৫) সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে ফেরার শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পাঁচবাড়িয়া নতুন বাজার এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। জুলফিকার আলী মিঠু উপজেলার নিতাইনগর গ্রামের রিয়াজ প্রামানিকে ছেলে ও নাটোর কোর্টের শিক্ষানবীশ এ্যাডভোকেট।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, জুলফিকার আলী মিঠু নগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নিজের প্রার্থীতা ঘোষণা করে প্রচারণা শেষে পাঁচবাড়িয়া নতুন বাজারে বসে চা পান করছিল। হঠাৎ ইউপি চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন ডালুর ব্যক্তিগত সহকারী ধানাইদহ গ্রামের রসূলের ছেলে মোহন (৩০) এর নেতৃত্বে কয়েন গ্রামের জমশেদের ছেলে ফারুখ (৩৫) পাঁচবাড়িয়া গ্রামের আবুল খানের ছেলে আলী (৩০), মহেশপুর গ্রামের ইসমাইলের ছেলে সুমন (৩২) গেদু মিয়ার ছেলে মিঠু (৩৫) সহ ১৫ থেকে ২০ জন মোটর সাইকেলযোগে এসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিঠুর উপর অতর্কিতে হামলা করে। হামলায় মিঠুসহ বেশ কিছু সমর্থক আহত হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে জুলফিকার আলী মিঠু বলেন, আগামি নির্বাচনে যাতে আমি প্রার্থী হতে না পারি সে জন্য চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন ডালুর নির্দেশে আমার উপর এই হামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন ডালুর ব্যক্তিগত সহকারী মোহন বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমি অফিস রুমে বসে ছিলাম।

এছাড়া নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন ডালু বলেন, আমি পাবনায় ছিলাম। ঘটনা সম্পর্কে আমার জানি না।

এ ব্যাপারে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ পরিদর্শক দিলিপ কুমার দাস বলেন, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।