নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো ৩২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ৩ হাজার ৩৬৫ জন করোনা রোগীর প্রাণহানি হলো। একই সময়ে ২ হাজার ৬১১ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলেন ২ লাখ ৫৫ হাজার ১১৩ জন।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৫২৯টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আগের কিছু মিলিয়ে ১১ হাজার ৭৩৭টি নমুনা। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬০টি।

ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, নতুন পরীক্ষায় করোনা মিলেছে দুই হাজার ৬১১ জনের মধ্যে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৫৫ হাজার ১১৩ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণহানি হয়েছে আরো ৩২ জনের। ফলে ভাইরাসটিতে মোট প্রাণহানি হলো তিন হাজার ৩৬৫ জনের।

তিনি আরো জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩২ জনের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও নারী সাতজন। এদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগে ১৬ জন, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগে চারজন করে আটজন, খুলনা বিভাগে পাঁচজন, সিলেট বিভাগে দুইজন, বরিশাল বিভাগে একজন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৩১ জন, বাড়িতে একজন।

ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত্যুদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১-৯০ বছরের মধ্যে এক জন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে চার জন, ৬১-৭০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে চার জন, ২১-৩০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

তিনি আরো জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরো এক হাজার ২০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৪৬ হাজার ৬০৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৪২ শতাংশ। আর রোগী শনাক্ত তুলনায় সুস্থতার হার ৫৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩২ শতাংশ।

ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৮৬৪ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৪৯০ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৫৬ হাজার ৩৯ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৩৭ হাজার ১৪ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৯ হাজার ২৫ জন।