নিউজ ডেস্ক: গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন তেঁতুইবাড়ী এলাকায় ব্র্যাক স্কুলের ভেতর তুলে নিয়ে এক কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কিশোরীর মা বাদী হয়ে দুই যুবককে আসামি করে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কাশিমপুর থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত আসামিরা হলেন, নওগাঁ সদর থানার রজাকপুর এলাকার মো. নজরুল ইসলাম লিটনের ছেলে সম্রাট হোসেন শান্ত এবং একই থানার ভবানীপুর এলাকায় মো. আলীম হোসেন আলেকের ছেলে শাকিল আহম্মেদ।

তারা কাশিমপুর থানাধীন তেঁতুইবাড়ী এলাকায় থাকেন। কিশোরীও পরিবারের সঙ্গে একই তেঁতুইবাড়ি এলাকায় ভাড়া থাকে এবং গ্রামের বাড়িও নওঁগা।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর থানাধীন তেঁতুইবাড়ী এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বাসা থাকে ওই কিশোরী। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁয়। বুধবার সকালে কিশোরীর মা-বাবা কর্মস্থলে যায়। তখন ওই কিশোরী বাসায় একাই ছিল। বুধবার দুপুরে সে প্রতিবেশী এক শিশুকে খুঁজতে বাসা থেকে বের হয়। পথে মো. সম্রাট হোসেন ওরফে শান্ত (২০) পেছন থেকে ওই কিশোরীকে ডাক দেয়। তার ডাকে সাড়া না দিয়ে দৌড়ে বাসায় ফেরার চেষ্টা করে কিশোরী।

এ সময় সম্রাট হোসেন ও শাকিল আহম্মেদ জোর করে ওই কিশোরীকে পাশের একটি টিনশেডের ব্র্যাক স্কুলের ভেতর তুলে নিয়ে যায়। পরে পালাক্রমে সম্রাট হোসেন ও শাকিল আহম্মেদ ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

পরে কিশোরীর চিৎকারে প্রতিবেশী কয়েকজন নারী তাকে উদ্ধার করে। সন্ধ্যায় ওই কিশোরীর মা ও বাবা বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি জানতে পারেন। বৃহস্পতিবার সকালে কিশোরীর মা বাদী হয়ে কাশিমপুর থানায় সম্রাট হোসেন শান্ত ও শাকিল আহম্মেদকে আসামি করে মামলা করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কাশিমপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কিশোরীকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।