নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর সদরের নাড়িবাড়ি মোড় থেকে নাজিরপুর ব্রীজঘাটে বছরেও সংস্কার হয়নি ১ কিলোমিটার সড়ক। ছবি: মো. আখলাকুজ্জামান

বিশেষ প্রতিবেদক: নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর সদরের নাড়িবাড়ি মোড় থেকে নাজিরপুর ব্রীজঘাট পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার পাকা সড়কের সংস্কার কাজে সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও ধীরগতির কারণে এক বছরে এক কিলোমিটার সড়কও সংস্কার হয়নি।

গত বছরের অক্টোবর মাসে ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মেসার্স সরকার কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওই সড়ক সংস্কার শুরু করে। তখন নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংস্কার কাজ বন্ধ করে দেয় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।

চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে সেই সড়কের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সংস্কার না হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এই সড়কে ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাথরের সলিং কার্পেটিং দেবে গিয়ে ছোটবড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃষ্টির পানি জমে সেসব গর্ত পরিণত হয়েছে মরণফাঁদে। ব্রীজ- কালভার্টগুলোর ইটপাথর ও মাটি ধসে যাওয়ার ফলে ট্রাক, মাইকো, কার, টেম্পু, ট্রলি, মোটরসাইকেল, অটো ভ্যান-রিক্সাযোগে চলাচলের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে জনসাধারণ।

বিভিন্ন যানবাহন গর্তে উল্টে গিয়ে কালভার্টের রাস্তায় পড়ে থাকায় অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সড়ক সংলগ্ন বাসিন্দাদেরও। যেকোন মুহুর্তে যানবাহনসহ পথচারীরা বড় ধরণের সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।

স্থানীয়রা জানান, চরম দুর্ভোগ উপেক্ষা করেই ওই সড়কে প্রাণভয়ে যাতায়াত করতে হয়। স্থানীয় কোনো জনপ্রতিনিধি বা কর্মকর্তা কেউ খোঁজ নেয় না। ইটপাথর ও পাটকেলের আঘাত খেয়ে হাঁটাচলা করতে হচ্ছে।

ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চলাচলে ধীরগতির কারণে সময়মত কর্মস্থলে যাওয়া যায়না। তাছাড়া গাড়ির ঝাকুনিতে শরীরিকভাবে অসুস্থবোধ হয়। এতে এলাকার মানুষ যেন নিরীহ হয়ে পড়েছে। তবু দেখার কেউ নেই।

কৃতজ্ঞতা: মো. আখলাকুজ্জামান