নিউজ ডেস্ক: নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার ২ নং বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক মো. মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ করেছেন সাতজন ইউপি সদস্য। প্যানেল চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন, সংরক্ষিত আসনের সদস্য মনোয়ারা খাতুন, সূর্য্য খাতুন, আব্দুল মালেক, আবুল কালাম আজাদ, স্বপন, সমজান আলী।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তালাবদ্ধ পরিষদের বারান্দায় বসে তারা এই অভিযোগ করেছেন। এ সময় ইউপি সদস্যরা অভিযোগ করেন, মোজাম্মেল হক চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই পরিষদে একক আধিপত্য বিস্তার করেছেন। সামাজিক বেষ্টনীসহ উন্নয়নমূলক কাজ সদস্য পাত্তা না দিয়ে এককভাবে সম্পাদন করছেন। এছাড়া কেয়ারের নিয়োগ দেওয়াসহ বিভিন্ন কাজে তার বিরুদ্ধে এসব কাজে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণও আছে।

তারা আরো বলেন, এসব বিষয় নিয়ে সম্প্রতি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হকের সঙ্গে সদস্যদের টানাপেড়ন সৃষ্টি হয়। সেসময় স্ব স্ব ওয়ার্ডের কাজ সদস্যদের মাধ্যমে করার প্রতিশ্রুতি দেন চেয়ারম্যান। কিন্তু আশ্বাসেই শেষ হয়। চলমান সংকট নিরশনে সপ্তাহখানেক আগে চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক আজ (মঙ্গলবার) সদস্য নিয়ে একটি সভা ডাকেন। কিন্তু সোমবার রাতে এক সদস্যকে ফোন করে পরিষদের সভায় না যেতে হুমকি দেন। কিন্তু চেয়ারম্যানের হুমকি উপেক্ষা করে সকাল ১০টার দিকে তারা পরিষদে গিয়ে দেখেন পরিষদের সকল কক্ষ তালাবদ্ধ।

এ ব্যাপারে বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জালাল উদ্দিন সভার সতত্যা নিশ্চিত করে বলেন, ইউপি সদস্যের সভা থাকলেও চেয়ারম্যান তাকে কিছু জানাননি। তবে তিনি ছুটিতে থাকায় পরিষদে আসেননি বলে জানান সচিব জালাল উদ্দিন।

বিয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক মো. মোজাম্মেল হক জানান, তিনি বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ। সদস্যদের সভার ব্যাপারে তিনি জানেন না। এছাড়া পরিষদে দায়িত্বেরত গ্রাম পুলিশ থানায় হাজিরা দিতে যাওয়ায় কিছুটা সময় পরিষদ বন্ধ থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।