নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘নদী বাঁচাও দেশ বাঁচাও’ শ্লোগানকে সামনে রেখে চারঘাট ও আটঘরিয়ার স্লুইচগেট অপসারণ ও আত্রাই নদী খননে অনিয়ম বন্ধের দাবীতে গুরুদাসপুরে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ মিলনায়তনে গুরুদাসপুর পৌর মেয়র মো. শাহনেওয়াজ আলীর সভাপতিত্বে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় স্লুইচগেট দুটি অপসারণসহ বড়াল নদী পুনরুদ্ধারের দাবিতে ৫ মে কনভেনশনের ডাক দেওয়া হয়। চারঘাট থেকে বাঘাবাড়ি পর্যন্ত ২২০ কিলোমিটার দৈর্ঘে্য নদীকে বাঁচানোর জন্য বড়াল, নন্দকুজা, আত্রাই ও চলনবিল রক্ষা আন্দোলন কমিটি দীর্ঘদিন ধরে ওই স্লুইচগেট অপসারণের জন্য আন্দোলন করে আসছে।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন। প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন বড়াল রক্ষা আন্দোলন কমিটির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান।

এসময় বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জাহিদুল ইসলাম, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলমগীর কবির, সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মজিবুর রহমান, উপজেলা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আতাহার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মজনু, এমদাদুল হক, আলী আক্কাছ, প্রভাষক গোলাম মোস্তফা, প্রভাষক নাসরিন সুলতানা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, পদ্মার উৎস মুখ থেকে উৎপত্তি বড়াল ও নন্দকুজা নদীকে রক্ষা করতে হলে চারঘাট ও আটঘরিয়া স্লুইচগেট অপসারণ করতে হবে। কারণ বড়ালের মুখ ৫শ’ ফিট দৈর্ঘ্য থাকলেও ১৯৮০ সালে ৩০ ফিটের স্লুইচগেট নির্মাণ করে নদী দুটিকে হত্যা করা হয়েছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, জনতার দাবির মুখে সরকার স্লুইচগেট দুটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নিলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাধার কারণে তা বারবার ভেস্তে যাচ্ছে।