নিজস্ব প্রতিবেদক: গুরুদাসপুর উপজেলার চন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোমিন আলীর বিরুদ্ধে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমানকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গুরুদাসপুর থানায়, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরারব একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান। তিনি উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের কোরবান আলীর ছেলে। সভাপতি মোমিন আলী চন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে বলে জানা গেছে।

লিখিত অভিযোগ ও সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, চন্দ্রপুর-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সভাপতির কিছুদিন ধরে সম্পর্কের অবনতি চলছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ওই সভাপতি মোবাইল ফোনে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এসময় প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন সভাপতি। পরে সভাপতি ফোন কেটে দিয়ে স্কুলে যান। সেখানে অন্যান্য শিক্ষকের সামনে থেকে হাফিজুর রহমানকে ডেকে নিয়ে বারান্দায় চর-থাপ্পড়, কিল-ঘুষিসহ মারধর করেন। এসময় তার চিৎকারে সহকারী শিক্ষকরা তাকে উদ্ধার করে স্কুল কক্ষে নিয়ে যান।

এব্যাপারে সহকারী শিক্ষক ফাতেমা খাতুন বলেন, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোমিন আলী স্কুলে গিয়ে নোংরা ভাষায় গালমন্দ করে বারান্দায় ডেকে নিয়ে প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমানকে জামার কলার ধরে টানাহেঁচড়া করে শারীরিক নির্যাতন করেন।

প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান অভিযোগ করেন, বিনা অপরাধে সভাপতি মোমিন আলী অন্যান্য শিক্ষকের সামনে আমাকে মারধর করেছেন।

তবে সভাপতি মোমিন আলী মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

এব্যাপারে গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।