নিউজ ডেস্ক: নাটোরের গুরুদাসপুরে স্বামীর সহযোগিতায় এক গৃহবধূকে (২৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আপন দেবরের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বাদী হয়ে স্বামী মালেক ও দেবর বারেককে আসািমি করে গুরুদাসপুর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করার পর অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে অভিযুক্ত স্বামী ও দেবরকে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সে ভুক্তভোগী নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উপজলার নোপিনাথপুর গ্রামে এঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ধর্ষক দেবর আব্দুল বারেক ও স্বামী আব্দুল মালেককে রাতেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত দুই ভাইয়ের বিচার দাবি করেছেন ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ।

ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ অভিযোগ করেন, বেশ কিছুদিন ধরে স্বামীর সহায়তায় দেবর বারেক তাকে কু-প্রস্তাব দিচ্ছিলেন। কিন্তু দেবরের অনৈতিক প্রস্তাবে তিনি রাজি হননি। সামাজিকতার ভয়ে বিষয়টি তিনি কাউকে বিষয়টি জানাননি। সবশেষ মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে বাড়ির বাড়ান্দায় তিনি মাছ কাটছিলেন। স্বামী মালেক এসময় বাড়িতেই ছিলেন। এ সময় হঠাৎ দেবর বারেক বারান্দায় আসেন। এসময় স্বামী মালেক বৈদ্যুতিক বাতি নিভিয়ে তাকে শয়ন ঘরে নিয়ে যান এবং তার সহযোগিতায় দেবর বারেক ধর্ষণ করেন।

ভাবীকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত দেবর আব্দুল বারেক জানান, রাতে ভাবীর শয়ন ঘরে গিয়ে ভাইয়ের সামনেই তিনি শারিরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। তবে অভিযুক্ত স্বামী আব্দুল মালেকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শওকত রানা লাবু বলেন, ঘটনার পর পরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোজাহারুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে রাতেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার সকালে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। আর দুপুরে অভিযুক্তদের আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।