বিশেষ প্রতিবেদক: ডিসেম্বরে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার ৭০টি পৌরসভায় ভোট হতে পারে। এর মধ্যে গুরুদাসপুরসহ রাজশাহী বিভাগে ৫০টি পৌরসভার নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই গুরুদাসপুর পৌর এলাকায় আগাম ভোটের হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নেমে পড়েছেন ভোটের মাঠে। দোয়া মাহফিল, শুভেচ্ছা বিনিময়, গণসংযোগ, এমনকি শোডাউনের মাধ্যমে জানান দিচ্ছেন তারা ভোটের মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

চা ষ্টল, হোটেল, রেস্টুরেন্টে তো চা চুমুকের সাথে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। গুরুদাসপুর পৌর নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বর্তমান মেয়র শাহনেওয়াজ আলী, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম বিপ্লব, আওয়ামী লীগ কর্মী ডা. মোহাম্মদ আলী ও জাকির হাসান বকুল নির্বাচনে ভোটযুদ্ধ করবেন।

তবে বিএনপি থেকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আমজাদ হোসেন প্রার্থী হবেন কিনা তা নিয়ে ধুম্রজাল রয়েছে। তবে তিনি প্রার্থী হলে অনেকেরই হিসাব পাল্টে যেতে পারে।

এদিকে নাটোর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল কুদ্দুস সাবেক গুরুদাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম জবতুল্লাহ মিয়া বাটুলের ছেলে আরিফুল ইসলাম বিপ্লবকে বিভিন্ন সভা সমাবেশে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে চলেছেন।

আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র শাহনেওয়াজের দোষত্রুটি তুলে ধরে এসব সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন আব্দুল কুদ্দুস এমপি ও বিপ্লব। মাঝে মধ্যে মোটরসাইকেলে শোভাযাত্রাও করছেন তারা।

অপরদিকে আওয়ামী লীগ থেকে দুইবার নির্বাচিত মেয়র শাহনেওয়াজ আলী ভোটারদের বাড়িবাড়ি গিয়ে গণসংযোগ চালাতে ব্যস্ত রয়েছেন। তার দাবি দলীয় মনোনয়ন তিনিই পাবেন এবং বিজয় তার সুনিশ্চিত।

অপর প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ আলী বলেন, আমাকে দলীয় প্রার্থী করার কথা রয়েছে। মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচন করবেন তিনি। জাকির হোসেন বকুলের বক্তব্য, তার প্রতি জনগণের সমর্থন রয়েছে। এক ভোট পেলেও নির্বাচন করবেন তিনি।

এদিকে প্রার্থীদের প্রচারণার পাশপাশি স্থানীয় পত্রিকা ও বিলবোর্ডে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি শোভা পাচ্ছে। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে সম্ভাব্য ৫০ জন কাউন্সিলর প্রার্থী হবেন। তবে সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী রুমা খাতুন, জমেলা খাতুন, সুমি ও আসমা খাতুন আরো ছয়মাস আগে থেকেই দোয়া ও সমর্থন চেয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কৃতজ্ঞতা: মো. আখলাকুজ্জামান