ছবি: মো. আবু জাফর সিদ্দিকী

বিশেষ প্রতিবেদক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, চলনবিলে প্রাকৃতিক দূর্যোগে আমি আপনাদের সামনে এসেছি। দুঃখের দিনে দূরে থাকতে পারি না। তাই করোনার এই সময়ে ঘরে থাকতে পারছিলাম না, ছুঁটে এসেছি। জনগণের কল্যাণে কাজ করছি। আমৃত্যু কাজ করে যাবো, ইনশাআল্লাহ।

বৈশ্বিক মহামারীর সম্মুখীন আমরা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস ছাড়াও ঘূর্ণিঝড় এবং বন্যার ভয়াবহ অবস্থার মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে বারবার এসেছে পিছপা হইনি। মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। এবারো ৬৭৮ কোটি টাকা ব্যায়ে কৃষক ও কৃষি উন্নয়নে সরকার চলনবিল উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এটি বাস্তবায়ন হলে চলনবিলে আমল পরিবর্তন ঘটবে।

প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০ টায় নাটোরের সিংড়া উপজেলার বন্যা দূর্গত এলাকা পরিদর্শন এবং বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। পরে প্রতিমন্ত্রী বন্যা দুর্গত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং গুড়নই নদীর শাহাবাজপুর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন বানু, শেরকোল ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফুল হাবিব রুবেল, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, পাউবোর ঠিকাদার আব্দুল জব্বারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

তিনি কর্তব্য অবহেলা না করার জন্য সরকারী কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, সরকার ব্যাপক উন্নয়ন করছেন। এ ইউনিয়নে সরকারি কলেজ রয়েছে, ২৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে হাইটেক পার্ক করা হচ্ছে। ইতোমধ্য বন্যা দুর্গতদের জন্য ভাগনাগকান্দী ও চকপুর আশ্রয়ণ খুলে দেয়া হয়েছে।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ৫ টি ইউনিয়ন এবং পৌর এলাকার কিছু মহল্লা প্লাবিত হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। বন্যায় গৃহহীন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সাপে কামড় দিচ্ছে, এমন পরিস্থিতির কারণে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শত বাধা বিপত্তি নিয়ে জনগণের পাশে ছিলেন। তিনি এ দিনে কারাভোগ করেছিলেন। কখনো জনগণের কাছ থেকে কোনো ষড়যন্ত্র তাঁকে দূরে রাখতে পারেনি।

কৃতজ্ঞতা: মো. আবু জাফর সিদ্দিকী