ক্রীড়া প্রতিবেদক: টেস্ট ক্রিকেটের এক নম্বর অল রাউন্ডারের নাম সাকিব আল হাসান। ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টিতে শীর্ষস্থান হারিয়ে অবস্থান করছেন তিনে। ইনজুরির কারণে কয়েকটি সিরিজ মিস না করলেও সেই অবস্থানেরও উন্নতি হতো।

সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে চলা উইন্ডিজ সিরিজের প্রথম টেস্টে মাঠে নামবেন সাকিব। দুই ম্যাচের এই সিরিজেই তার জন্য অপেক্ষা করে আছে দারুণ এক মাইলফলক। আর মাত্র ৪ উইকেটে পেলেই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে ‘ডাবল সেঞ্চুরি’র ইতিহাস গড়বেন তিনি।

তিন ফরম্যাট মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশে ৫০০ উইকেটের মালিক একমাত্র সাকিব। সারাবিশ্বে এই রেকর্ড আছে আর দুজনের। দুজনেই বিখ্যাত ক্রিকেটার জ্যাক ক্যালিস ও শহীদ আফ্রিদি। টেস্টে উইকেট শিকারে বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে একসময়ের সেরা স্পিনার মোহাম্মদ রফিক। তার শিকার সংখ্যা ১০০। ২১ টেস্টে ৮৭ উইকেট নিয়ে তিন নম্বরে আছেন তাইজুল। মেহেদী মিরাজ ৬৯ উইকেট নিয়ে আছেন ৪ নম্বরে।

টেস্ট সাড়ে তিন হাজার রান এবং কমপক্ষে ২০০ উইকেট নেওয়ার যুগলবন্দি রেকর্ডের তালিকাটাও কিন্তু ছোট। এতে আছেন স্যার গ্যারি সোবার্স, কপিল দেব, জ্যাক ক্যালিস, ইমরান খান, ইয়ান বোথাম, অ্যান্ড্রু ফ্লিটনফদের মতো অল-রাউন্ডাররা। কিন্তু এমন যুগলবন্দি রেকর্ডের সামনে দাঁড়ানো সাকিব খুব একটা উচ্ছাস দেখালেন না, ‘কিছু টেস্ট খেললে তো ২০০ টেস্ট উইকেট হয়েই যাবে। এটা খুব বড় ব্যাপার নয়। যদি হয় তাহলে হয়তো অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করতে পারে।’

সাকিব আসলে এমনই। তাকে কখনই রেকর্ডের পেছনে ছুটতে হয় না; রেকর্ড এসে ধরা দেয় তার কাছে। তবে সাকিব যে কীর্তিগুলো গড়েছেন, এমন আরেকজন সাকিব পাওয়া বাংলাদেশ কেন; যে কোনো দলের জন্যই কঠিন। তবে নিজের উত্তরসূরিদের নিয়ে বেশ আশাবাদী সাকিব, ‘তাইজুল-মিরাজ অনেক ম্যাচ খেলেছে এবং ওরা এখন ভালো অভিজ্ঞ। যেকোনো একজনই হয়তো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তাইজুল খুবই ভালো বোলিং করেছে, অনেক উইকেট পেয়েছে। মিরাজও অনেক ভালো বোলিং করছে। নাঈম যে এসেছে, আমার কাছে সেও অনেক সম্ভাবনাময়। আমাদের স্পিন আক্রমণ নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা করার নেই।’