নিউজ ডেস্ক: জামালপুরের বকশীগঞ্জে লম্পট স্বামী রাশেদ মিয়ার (৩০) বিরুদ্ধে দেহ ব্যবসায় রাজি না হওয়ায় বন্ধুকে দিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে জামালপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ভোরে লম্পট স্বামীসহ দুই জনের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা হলে নিজ বাড়ি থেকে স্বামী রাশেদ মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এখনো পলাতক রয়েছে বন্ধু মোশারফ হোসেন।

এর আগে ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ বৃহস্পতিবার রাতে তার স্বামীর বন্ধু মোশারফ ও লম্পট স্বামী রাশেদকে আসামি করে বকশীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এর আগে গত বুধবার রাতে উপজেলার নিলাক্ষিয়া ইউনিয়নের বিনোদের চর গ্রামে ধর্ষণের এই ঘটনা ঘটে।

রাশেদ মিয়া বকশীগঞ্জ উপজেলার বিনোদের গ্রামের মণ্ডল মিয়ার ছেলে ও মোশারফ মিয়া পার্শ্ববর্তী পাগলাপাড়া গ্রামের নেহাল মিয়ার ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, লম্পট স্বামী রাশেদ ও তার বন্ধু মোশারফ দুজনই পেশায় ক্ষুদ্র কৃষক। রাশেদ বেশ কিছু দিন ধরে টাকার লোভে তার স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন। এ নিয়ে কলহের জের ধরে স্ত্রীকে নির্যাতনও করেন রাশেদ। গত বুধবার রাতে রাশেদ তার বন্ধু মোশারফকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। এ সময় রাশেদ জোরপূর্বক বন্ধু মোশারফের সাথে তার স্ত্রীকে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করেন। পরে ঘটনার পরে ওই গৃহবধূ তার বাবার বাড়িতে গিয়ে তার ভাবিকে ঘটনা খুলে বলে। এরপর তার ভাবির কথামতো তিনি থানায় অভিযোগ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ওই গৃহবধূর দায়ের করা মামলায় তার স্বামী রাশেদকে গ্রেপ্তার করে আজ (শুক্রবার) বিকেলে জামালপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূকেও জামালপুর সদর হাসপতালে পাঠানো হয়েছে। মামলাটির প্রধান আসামি মোশারফকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।