নিউজ ডেস্ক: ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে এসব অভিযোগ করেন সালাউদ্দিন আহমেদ। সকালে প্রায় ২০ মিনিট বিভিন্ন ভোট কক্ষে ঘুরে দেখেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, কেন্দ্র থেকে আমাদের পোলিং এজেন্টটদের বের করে দেওয়ার বিষয়টি জানানো হলেও প্রশাসন ও নির্বাচনের দায়িত্বপালন করা ম্যাজিস্ট্রেটরা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তারা নীরব ভূমিকা পালন করছেন।

সালাউদ্দিন আহমেদ দাবি করেন, সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যমতে ১৪ ওয়ার্ডের অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি কেন্দ্র পরির্দশন করেও আমাদের কোনও এজেন্ট পাইনি।

বিএনপি প্রার্থী আরো জানান, ৫০নং ওয়ার্ডের ৯ নম্বর কেন্দ্র যাত্রাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিএনপির এজেন্টরা গেলে তাদের স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে জোর দিয়ে বের করে দেয়া হয়। এছাড়াও ৬৮নং ওয়ার্ডের হাজী আদর্শ মোয়াজ্জেম আলী হাই স্কুল, সানারপাড় রুস্তম আলী হাইস্কুল ও ফুলকলি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৬৬নং ওয়ার্ডের ভ্যামুইল আইডিয়াল স্কুল, সারুলিয়া ডগাইর দারুস সুন্নত ফাজিল ফাদ্রাসা,৭০নং ওয়ার্ডে ১৮৫নং কেন্দ্র (আমুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়), দেল্লা ও ৬৬নং ওয়ার্ডের ১৪৮ ও ১৪৯ কেন্দ্র থেকে বিএনপির সব পোলিং এজেন্টদের পুলিশের সামনেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বের করে দিয়েছে।

বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ, আওয়ামী লীগ পুরো এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিচ্ছে। মানুষ ভোট দেওয়া অপেক্ষায় থালকেও সন্ত্রাসীরা ঘরে ঘরে গিয়ে হুমকি দিয়ে আসছে যাতে কেন্দ্রে না আসে। এরপরও কীভাবে ভোট সম্পন্ন হবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবেন কিনা, জানতে চাইলে সালাউদ্দিন বলেন, অবশ্যই আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবো। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা শেষ পর্যন্ত কী করতে পারে তা দেখতে চাই।

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা গত ৬ মে মারা যাওয়ায় ঢাকা-৫ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। আর ঢাকা-৫ আসন উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কাজী মনিরুল ইসলাম মনু। আর জাতীয় পার্টি প্রার্থী মীর আবদুস সবুর আসুদ, গণফ্রন্টের এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আনছার রহমান শিকদার ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আরিফুর রহমান।

এর আগে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ঢাকা মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি নবী উল্লাহ নবী। কিন্তু উপনির্বাচনে বিএনপি তাকে মনোনয়ন দেয়নি।