নিউজ ডেস্ক: ৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে বড়হরিশপুর থেকে বনবেলঘড়িয়া পর্যন্ত শহরের প্রধান সড়ক প্রশস্তকরণ এবং ছায়াবাণী মোড়ে গোল চত্বর তৈরির কাজ বাস্তবায়ন করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে রাস্তার উভয় পাশে অধিগ্রহণের আওতায় আসা জমির মালিকেরা জমির ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বেলা ১২টায় স্থানীয় একটি রেঁস্তোরায় অনুষ্ঠিত সাংবাদ সম্মেলনে শহরের প্রধান সড়ক উন্নয়ন কাজকে স্বাগত জানিয়ে বক্তারা বলেন, শহরের ছায়াবানী মোড় থেকে ষ্টেশন পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে শতাধিক ব্যক্তির প্রায় ৫৩ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হবে।

নোটিশ জারির পূর্বে ১২ মাসের গড় মূল্য নির্ধারিত নিয়মে হিসাব করতে হবে। আইনের এ বিধান যথাযভাবে অনুসরণ করে জমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম সমাধা করার দাবি জানান বক্তারা।

বিগত সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৫০ লক্ষ টাকা থেকে এক কোটি টাকা দরে প্রতি শতাংশ জমি কেনাবেচা হয়েছে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট জমির রেজিস্ট্রি দলিলের ফটোকপি হস্তান্তর করা হয়।

অধিগ্রহণের ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, অধিগ্রহণের জন্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় কাজ করছে। সরকারী বিধি অনুসরণ করেই অধিগ্রহণ কাজ সমাধা হবে।

নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন, যথাযথভাবে আইন অনুসরণ করেই অধিগ্রহণ কাজ চলমান আছে। অধিগ্রহণে কেউ যেন জমির মূল্য প্রাপ্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন-তা নিশ্চিত করা হবে। বর্তমানে গণপূর্ত বিভাগ সংশ্লিষ্ট জমির ভবন বা অবকাঠামো সমূহের মূল্য নির্ধারণ করছে। সমশ্রেণি ও সমান সুবিধাযুক্ত জমির গড় মূল্য সংক্রান্ত স্থানীয় রেজিস্ট্রি অফিসের প্রতিবেদন পেলে জমির ক্ষতিপূরণ মূল্য নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাহবুবুর রহমান, আবু সাঈদ খান, বিকাশ চন্দ্র পোদ্দার, সিরাজুল ইসলাম বকুল এবং রুহুল আমিন।

সূত্র: বাসস