নিউজ ডেস্ক: নাটোরে আরো ১১ জন করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে নাটোর জেলায় করোনা রোগী শনাক্তের সংখ্যা ৩শ’ ছাড়াল। মোট আক্রান্ত ৩০৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৯৭ জন। এছাড়া একজনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) আক্রান্তদের মধ্যে মেডিকেল কলেজের ছাত্রী, কারখানা শ্রমিক, চা দোকানদার, ট্রাক ড্রাইভার রয়েছেন। এর মধ্যে নাটোর সদর উপজেলার ৯ জন, সিংড়া উপজেলার ২ জন ও লালপুর উপজেলার একজন ফলোআপ করোনা পজিটিভ হয়েছেন।

এর মধ্যে নাটোর সদর উপজেলার রেজাউল ইসলাম (২৫) জাকির হোসেন (৪৫), রুবেল (৩৬) রাকেশ (৩৫), রাতিকা আনজুম (২৪), ওয়াসিম আলী (২৫), রবিউল (২৮), গৌতম (৪০), সাদিকুল (৫০), মাহফুজ (৩০), রউফ (৪১), মাসুদ রানা (৩৫) ও লালপুর উপজেলায় হাবিবুল্লাহ (৫৫) রয়েছেন।

জানা গেছে, নাটোর শহরের কান্দিভুটিয়া এলাকায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া কান্দিভুটিয়া এলাকায় আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে এসে আব্দুর রউফ নামে এক ব্যক্তি নাটোর সদর হাসপাতালে নমুনা দিয়েছিলেন, তিনি আজ করোনা আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন।

এছাড়া নাটোর পুলিশ লাইনসের মেহফুজ নামে এক পুলিশ সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আর ওয়াদুদ ও রবিউল নামে ২ পুলিশ সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া নাটোর সদর হাসপাতালে নমুনা দেয়া আরো ২ জনের করোনা আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। একজনের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়। অপরজনের বাড়ি বড়াইগ্রামের আগ্রান এলাকায় বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে নাটোরের দিঘাপতিয়ার ইসলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন ট্রাক ড্রাইভার আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি কয়েকদিন আগে ট্রাক নিয়ে চট্টগ্রাম যান। সেখান থেকে ফেরার পর কিছু উপসর্গ দেখা দেয়ায় নমুনা পরীক্ষা করতে দেন। পরে তিনি করোনা শনাক্ত হন। এছাড়া নাটোর স্টেশন বাজার এলাকায় রাকেশ নামে এক চা দোকানি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি শহরের হুগোলবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া রুবেল নামে একজনের ফোন বন্ধ থাকায় তার ব্যাপারে তথ্য পাওয়া যায়নি।

অপরদিকে বড়াইগ্রামের আগ্রার এলাকার মাসুদ রানা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি পাকিজা গ্রুপের একজন কর্মচারি ছিলেন। এছাড়া সিংড়া বাজার এলাকার মুদি দোকানের কর্মচারি গৌতম কুণ্ডু ও বিনগ্রাম এলাকার এক যুবক আক্রান্ত হয়েছেন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।