নিউজ ডেস্ক: নাটোরে আরো ৩৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ‌আক্রান্তদের মধ্যে নাটোর সদর উপজেলায় সর্বোচ্চ ১৯ জন রয়েছেন। এছাড়া বড়াইগ্রাম ও সিংড়া উপজেলায় সাতজন করে রয়েছেন। আর বাগাতিপাড়া উপজেলায় তিনজন ও লালপুর উপজেলায় দুইজন আক্রান্ত হয়েছেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে নাটোর সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, ঈদের পর থেকে গত ১০ আগস্ট পর্যন্ত ২৩৩টি সংগ্রহ করা নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৩৮ জন করোনা পজিটিভ ফলাফল এসেছে।

জানা গেছে, নাটোর সদর উপজেলায় নতন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন শহরের সরকার গার্মেন্টসের মালিক পরিবার ২ নারীসহ ৩ জন। এছাড়া চৌধুরী পরিবারের একজন ও সদর হাসপাতালের এক স্বাস্থ্য কর্মী রয়েছেন করোনা আক্রান্তের তালিকায়।

অন্যদিকে শহরের বড়গাছা এলাকার একই পরিবারের ২ নারীসহ ৩ জন রয়েছেন আক্রান্তের তালিকায়। এছাড়া উত্তর বড়গাছা ও হাজরা নাটোর এলাকার দুই ব্যাংক কর্মকর্তা, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তার গাড়ি চালক, বড়গাছার ঠিকানায় নমুনা দেয়া বাগাতিপাড়ার এক গৃহিণী। এছাড়া র‌্যাবের ঠিকানায় একজন করোনা আক্রান্তের তালিকায় রয়েছেন।

অন্যদিকে করোনা আক্রান্তের তালিকায় বড়াইগ্রামে উপজেলা হাসপাতালের স্টাফ নার্স, বনপাড়ার এক ব্যবসায়ী ও এক গৃহিণী, দাইরপাড়া এলাকার অপর এক গৃহিণী, বড়াইগ্রাম সদর ও মাসিদা এলাকার ২ ছাত্র ও ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ রয়েছেন।

জানা আরো গেছে, নাটোর জেলায় এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৬৬৭ জন। এর মধ্যে করোনা মুক্ত হয়েছেন অন্তত ২৭৬ জন। আর বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৮৯ জন। এছাড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ২ ব্যক্তি।

এদিকে নাটোর জেলায় সর্বোচ্চ ২৪২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন সদর উপজেলায়। এছাড়া বড়াইগ্রামে ১২৩ জন, সিংড়ায় ৮৫ জন, গুরুদাসপুরে ৬৯ জন, লালপুরে ৭৪ জন, বাগাতিপাড়ায় ৬৬ জন ও নলডাঙ্গা উপজেলায় ১২ জন শনাক্ত হয়েছেন।

এছাড়া নাটোর জেলায় এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন অন্তত ২৭৬ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১২১ জন, সিংড়া উপজেলায় ৬৭ জন, লালপুর উপজেলায় ৩৬ জন, বাগাতিপাড়া উপজেলায় ২৪ জন, নলডাঙ্গা উপজেলায় ১১ জন, বড়াইগ্রাম উপজেলায় ১০ জন ও গুরুদাসপুর উপজেলায় ৭ জন রয়েছেন।