নিউজ ডেস্ক: নাটোরে ইসলামী ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের একজেনর বাড়ি বড়াইগ্রাম উপজেলার কাছুটিয়া এলাকায়। অপরজন গুরুদাসপুর উপজেলার মসিন্দা শিকারপুরের বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ল্যাব থেকে ওই দুজনার রেজাল্ট পজেটিভ আসে। এনিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮ জন। অবশ্য ইতিমধ্যে ৫০ জন সুস্থ ও একজন মৃত্যু বরণ করেছেন। তবে নাটোর জেলায় ৩৮ জন করোনা রোগী রয়েছেন। যারা হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নতুন আক্রান্ত ইসলামী ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা পাবনায় চাকুরী করেন।

জানা গেছে, আক্রান্তদের মধ্যে একজন বড়াইগ্রাম উপজেলার কাছুটিয়া এলাকার বাসিন্দা ও ৩৬ বছর বয়সী ইসলামী ব্যাংক কর্মকর্তা। তিনি ১০ জুন নমুনা প্রদান করেছিলেন। অপরজনের বাড়ি গুরুদাসপুর উপজেলার মসিন্দা শিকারপুরে। তার বয়স ৫২ বছর। তিনি নমুনা প্রদান করেন ১১ জুন। তবে তিনি বর্তমানে রাজশাহী সিটির শিরোইল এলাকায় তার আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে নাটোরের সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নতুন ইসলামী ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা পাবনায় চাকুরী করেন। সুুতরাং তারা নাটোরের মধ্যে কাউন্ট করা হবে কিনা সে বিষয়টি তারা নিশ্চিত নয়। তারপরও তাদের দু’জনার কর্মস্থলসহ পাবনার স্বাস্থ্য বিভাগকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এছাড়া তাদের দু’জনার বাড়ির লোকদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।

নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান জানান, তারা যেহেতেু নাটোরের বাসিন্দা। সুতরাং তারা বাড়িতে থাকলে তাদের বাড়ি লকডাউন করা হবে। এছাড়া তাদের সংষ্পর্শে যারা এসেছেন তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।