বিশেষ প্রতিবেদক: নাটোরে কমছে না করোনার দাপট। বরং পরীক্ষা বিবেচনায় বেড়েই চলেছে সংক্রমনের হার। পশুর হাট এবং ঈদ ও ঈদ উত্তর অবাধ বিচরণ করোনা সংক্রমন ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়ার শংকা ছিল বিশেষজ্ঞদের মাঝে। তারই যেন বাস্তবায়ন ঘটাতে চলেছে সংক্রমন।

নাটোর সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার ঢাকা থেকে আসা ৩৪৮টি রিপোর্টের মধ্যে পজিটিভ এসেছে ৬৪টি। যার মধ্যে ৭টি ফলোআপ বাদ দিয়ে নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭জন।

এবারের আক্রান্তের তালিকায় নাটোরের ৭টি উপজেলাই রয়েছে। বরাবরের মত তালিকার শীর্ষস্থানে রয়েছে সদর উপজেলা। এখানে আক্রান্ত ৩২ জন। যার মধ্যে পূর্বের আক্রান্ত রয়েছেন ৪ জন।

সদরের আক্রান্তের নতুন তালিকায় কানাইখালী এলাকার সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা, মল্লিকহাটী এলাকার সাবেক পুলিশ সদস্য, নিচাবাজারের মারোয়ারী ব্যবসায়ী, ২ র‌্যাব সদস্য ও সদর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এক কর্মী।

এছাড়া জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মোহম্মদ ইব্রাহীম, সিভিল সার্জন অফিসের ২ স্বাস্থ্যকর্মীর পূনরায় পজিটিভ এসেছে।

বড়াইগ্রামের জালোরার এক আয়ুর্বেদীক চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ইকরি এলাকার এক কম্পিউটার দোকানী রয়েছেন তালিকায়।

সিংড়া উপজেলার সাঁঐল কমিউনিটি ক্লিনিকের এক স্বাস্থ্যকর্মী, কোর্ট মাঠ এলাকার একজন ও সাতপুকুরিয়া এলাকার এক কৃষক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

লালপুরের ৩ কৃষক ও পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক কর্মীর শরীরে পাওয়া গেছে করোনার উপস্থিতি। এ ছাড়াও বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের এক কর্মচারি, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক স্বাস্থ্য সহকারী, মালঞ্চি বাজারের এক ব্যবসায়ী ও পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের এক কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এছাড়া নলডাঙ্গা উপজেলার ঠিকানায় ২ জনের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে জেলার গুরুদাসপুরে আজ দ্বিতীয় সবোর্চ্চ আক্রান্ত রয়েছেন। এই উপজেলায় মোট আক্রান্ত রয়েছে ১৩ জন।

কৃতজ্ঞতা: আরিফুল ইসলাম