নিজস্ব প্রতিবেদক: নাটোরে কালবৈশাখী ঝড়ে বাড়ি-ঘর ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, ভেঙ্গে পড়েছে বিদ্যুতের খুটি, উপড়ে গেছে অসংখ্য গাছ-পালা। এছাড়া গাছের ডাল চাপায় মারা গেছে সাথী খাতুন নামে এক শিশু।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে নাটোর সদরসহ নলডাঙ্গা, গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম, সিংড়া, ললপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে কালবৈশাখী ঝড়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলা।

এলাকাবাসী জানায়, গুরুদাসপুর উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামে আম কুড়াতে গিয়ে গাছ চাপায় মারা যায় সাথী খাতুন নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। সে গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর এলাকার মজনু মিয়ার মেয়ে।

এদিকে, উত্তরা গণভবনের সামনে মরা গাছ পড়ে বিদ্যুৎলাইনের তার ছিঁড়ে বেশ কয়েকটি গ্রাম বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। অসংখ্য বিদ্যুতের খুটি ভেঙ্গে পড়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঝড়ে সু- প্রাচীন একটি পাম্প গাছ গোড়া ভেঙে বিদ্যুৎ লাইনের উপর ও পরে রাস্তার উপর পড়ে যায়। এতে বিদ্যুৎ লাইনের তার ছিড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নেজারত ডেপুটি কালেকক্টরেট অনিন্দ্য মন্ডল বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করতে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আর গাছের ব্যাপারে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এছাড়া ঝড়ে নলডাঙ্গা উপজেলায় অন্তত ২০টি বাড়ির টিনে চালা উড়ে গেছে। বড় বড় গাছ বাড়ির ওপর উপড়ে পড়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিক ভাবে সবার পরিচয় জানা যায়নি।