বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে নাটোর শহরের সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজার স্টেশন বাজারে প্রথমে নতুন পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি শুরু হয়। দুপুরে দাম কমে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: নাটোরে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পেঁয়াজ বাজারে আসায় অর্ধেকে নেমে এসেছে পেঁয়াজের দাম। তবে পুরোনো পেঁয়াজ এখনও আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতেই দাম কমে যাওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরছে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে নাটোর শহরের সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজার স্টেশন বাজারে প্রথমে নতুন পেঁয়াজ ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি শুরু হয়। দুপুরে দাম কমে ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হয়। এর আগে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দামে ভোক্তাদের নাভিশ্বাস উঠেছিল। সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজের মূল্য নিম্নমুখী বলে জানান ব্যবসায়ীরা। আর কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন পেঁয়াজের দাম আরো কমে যাবে বলে ধারণা করছেন তারা।

পাইকারি ও খুচরা পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, গতকাল (মঙ্গলবার) পেঁয়াজের মণ ছিল পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। আজ (বুধবার) সকাল থেকে তিন-চার হাজার টাকা মণ। তার মানে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বেচাকেনা হচ্ছে। পেঁয়াজ এখন ওঠার দিকে। দাম আরো দিন দিন কমবে। আজকে সকালে ১০০ টাকা কেজি করে বিক্রি করেছেন। পরে ক্রেতার সংখ্যা কমে যাওয়ায় ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি করেন।

স্টেশন বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, অসময়ের বৃষ্টিতে নাটোরের লালপুরসহ স্থানীয় বেশ কয়েকটি এলাকার পেঁয়াজ নষ্ট হয়েছে। পানি নামার পর সেসব জমিতে নতুন করে পেঁয়াজ লাগানো হয়েছে। সপ্তাহ দুয়েক পর বাজারে ওই পেঁয়াজ উঠলে দাম পুরোপুরি মানুষের ক্রয়ক্ষমতায় চলে আসবে।

ব্যবসায়ী আরো জানান, তারা বেশি দামে কেনা পেঁয়াজই ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসা সাপেক্ষে দাম কমলে তাদেরও লোকসানে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হবে।