নিজস্ব প্রতিবেদক: নাটোর সদর ও বড়াইগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন। নিহতরা হলেন সিরাজগঞ্জের ধাপ তিতলী গ্রামের সাবেফ আলীর ছেলে সাইফত আলী এবং বড়াইগ্রামের পার গোপালপুর এলাকার মৃত সুখলাল সরদারের স্ত্রী রাহেলা বেগম।

বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে বড়াইগ্রামের নাটোর-পাবনা মহাসড়কের গড়মাটি ও নাটোর সদরের কামারদিয়ার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ফরিদুল ইসলাম স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, পাবনা থেকে কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নসিমনে গরু নিয়ে রাজশাহীর সিটি হাটে যাচ্ছিলেন। পথে নাটোর সদর উপজেলার কামারদিয়ার এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এসময় নসিমনে থাকা অন্তঃত ১৬ জন গরু ব্যাবসায়ী আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যর ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফত আলী মারা যায়।

অপরদিকে, স্থানীয় ইউপি সদস্য কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস জানান, সকালে শিবপুর এলাকায় রাহেলা বেগম পায়ে হেঁটে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এসময় পাবনা থেকে রাজশাহীগামী জননী পরিবহন (ঢাকা মেট্রো ব ১৫-০৯১৮) তাকে চাপা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে বিক্ষুব্ধ লোকজন ঘাতক বাসটি আটক করে। পরে পুলিশ এসে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

বড়াইগ্রামের বনপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মাহাবুব রহমান জানান, বড়াইগ্রামে দ্রুতগামী বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে রাহেলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল ১০টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের শিবপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাহেলা বেগম উপজেলার ব্রক্ষত্রপার গোপালপুর গ্রামের শুকলাল মিয়ার স্ত্রী।