নিউজ ডেস্ক: নাটোরে দীর্ঘদিন ধরে ঈদসহ বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে এক শ্রেণির কিশোর-তরুণেরা দল বেঁধে ছোট ট্রাক, নসিমন ও ভটভটিতে স্পিকার লাগিয়ে বেপরোয়া গতিতে চালানোর তালে তালে নাচ-গান করে থাকে।

এছাড়া দল বেঁধে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়েও আনন্দ উৎসব করে থাকে। এতে প্রায় দূর্ঘটনায় প্রাণহানিও ঘটে থাকে। কিন্তু অভিভাবকের সাথে সাথে প্রশাসনও এ ব্যাপারে নীরব বলে সচেতন মহল অভিযোগ করে আসছে।

এর মধ্যে ২ আগস্ট (রোববার) নাটোরে দল বেঁধে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে অন্তু (২০) ও মারুফ (২১) নামে দুই যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।

জানা গেছে, দুপুর বারোটার দিকে সদর উপজেলার চাঁদপুর এলাকায় নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। অন্তু রাজশাহী জেলার ঝলমলিয়া এলাকার সাজেদুর রহমানের ছেলে। মারুফও একই এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী-নাটোর মহাসড়ক ধরে ঝলমলিয়া থেকে নাটোরের দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে ছয় যুবক বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে আসছিল। এ সময় মারুফ ও অন্তর মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের একটি খাদে পড়ে যায়। এতে তারা দুজনেই গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন।

এদিকে নাটোরে যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার নাজমুল হাসান ফেসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ঈদের পরে নাটোরের মহাসড়কগুলোতে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। আনন্দ উৎসব করবে। কিন্তু নিজের ও অন্যের জীবনের ঝুঁকি কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। এর আগে একসাথে এমন যানবাহনে ১০ থেকে ১৫জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নিলে আগামীতে এমনটা করার সাহস পাবে না কেউ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

একই ভিডিও স্ট্যাটাসে কমেন্ট করেন মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের নাটোর প্রতিনিধি মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, যারা ঈদ প্রস্তুতি নিয়ে মিটিং করে, তারা কেউ এ বিষয়ে বলে না। আমরাই বারবার এইগুলো নিয়ে দৃস্টি আর্কষণ করি। আর কত, তাহলে মিটিং করে কি সিদ্ধান্ত নেয়।