নিজস্ব প্রতিবেদক: নাটোরে ৪টি আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৩ লাখ ১ হাজার ৮৩২ জন ভোটার তাদের ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে করবেন। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ৫১ হাজার ২৫৯ জন পুরুষ ও ৬ লাখ ৫০ হাজার ৫৭৩ জন নারী ভোটার।

এদিকে নাটোরে চারটি আসনে ভোট কেন্দ্র রয়েছে মোট ৫৬৬টি। এর মধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে ৩৪টি, নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে ৪২টি, নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে ৩০টি এবং নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনে মোট ৪৪টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে চারটি আসনের মধ্যে ৫০টিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) এবং নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের মোট ৩০টি কেন্দ্রে বেশি সহিংসতার ঝুঁকি রয়েছে।

নাটোর-১: লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৪৬ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩৩ জন। বাগাতিপাড়ায় পুরুষ ভোটার ৫০ হাজার ৯৫১ জন ও নারী ভোটার ৫৩ হাজার ৬১৬ জন। আর লালপুরে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭ হাজার ৭৯৫ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ১ হাজার ২১৭ জন।

নাটোর-২: সদর ও নলডাঙ্গা উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৩৮ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৭৮ জন। নাটোর সদরে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৯ হাজার ৩২ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৩৯১ জন। আর নলডাঙ্গায় পুরুষ ভোটার ৫১ হাজার ৮০৬ জন ও নারী ভোটার ৫১ হাজার ৪৮৭ জন।

নাটোর-৩: সিংড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত চলনবিল অধ্যুষিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭১৫ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৮৬ জন।

নাটোর-৪: বড়াইগ্রাম ও গুরুদাসপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ৩টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯২৪ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৭৬ জন। বড়াইগ্রামে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫ হাজার ৬০২ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৬ হাজার ৪৩৯ জন। আর গুরুদাসপুরে পুরুষ ভোটার ৭৯ হাজার ৩২২ জন ও নারী ভোটার ৮০ হাজার ১৩৭ জন।

জানা গেছে, নাটোর জেলার চারটি আসনে ১৪ প্লাটুন বিজিবি, ৫১৪জন সেনা সদস্য, ১২৮৫জন পুলিশ সদস্য, ৬ হাজার ৭৯২ জন আনসার সদস্য, ১০০ জন র‌্যাব সদস্য আইন-শৃংখলা এবং ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। ৭ জন সহকারি রিটার্নিং অফিসারসহ ২১জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবং ৯জন বিচারিক ম্যাজিষ্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে ১০জন আনসার সদস্য, ২ জন অস্ত্রধারী পুলিশ এবং ১ জন গ্রাম পুলিশ থাকবে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে থাকবে অস্ত্রধারী পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্যের বাড়তি সংখ্যা।