নিউজ ডেস্ক: নাটোর নারী ব্যবহার করে অভিনব কৌশলে প্রতারণার ফাঁদ পেতে মানুষকে জিম্মি করে টাকা আদায়ের অভিযোগে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। এসময় প্রতারকদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এক সংবাদিকদের এসব তথ্য দেন নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা। এর আগে মঙ্গলবার মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক জুবায়ের, ওসি (ডিবি) আনারুল ইসলাম প্রমুখ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নাটোর সদর উপজেলার ফুলস্বর গ্রামের আফেজ উদ্দিনের ছেলে আবুল হোসেন (৩২), রাজশাহীর চারঘাট হলিদাগাছী গ্রামের মামুরুর রহমান বাবুর স্ত্রী শরিফা আক্তার সাথী (২৮), নাটোর সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে ফারুক (২৮), অর্জুনপুর গ্রামের হামিদ আলী আকন্দের ছেলে হোসেন আলী (৪০), এবং চারঘাট এলাকার শিবপুর গ্রামের জসীম উদ্দিনের ছেলে নজু (৩৫)।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, গত ১৪ জুলাই রাতে ঢাকা থেকে মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি ব্যবসায়িক কাজে বাসযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিলেন। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জে শরিফা আক্তার সাথী নামে এক প্রতারক নারীর সাথে পরিচয় হয়। এসময় তারা মোবাইল নম্বর আদান প্রদান করেন। পরে ১৫ জুলাই শরিফা আক্তার সাথী বিভিন্ন কৌশলে ব্যবসায়ী মিজানুরকে ফোনে ডেকে নেন এবং সিএনজি যোগে নাটোর সদর উপজেলার ফুলস্বর গ্রামের কানু সরকারের ছেলে জমির উদ্দিন সরকারের বাড়িতে নিয়ে যান।

এসময় শরিফা আক্তার সাথী ও তার সহযোগীদের যোগসাজশে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে মারধর করা এবং প্রাননাশের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে দুই লাখ দশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। পরে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে আহম্মেদপুরে রেখে পালিয়ে যায় প্রতারক চক্রটি। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে প্রতারণা কাজে ব্যবহৃত সিএনজিসহ ফুলস্বর গ্রামের আফেজ উদ্দিনের ছেলে আবুল হোসেন, রাজশাহীর চারঘাট হলিদাগাছী গ্রামের মামুরুর রহমান বাবুর স্ত্রী শরিফা আক্তার সাথী, নাটোর সদর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে ফারুক, অর্জুনপুর গ্রামের হামিদ আলী আকন্দের ছেলে হোসেন আলী, রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শিবপুর গ্রামের জসীম উদ্দিনের ছেলে নজুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।