নাটোরে ২৪ ঘন্টায় ৫৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত

নিউজ ডেস্ক: নাটোরে আরো ১৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে নাটোর সদর উপজেলায় ১৩ জন ও লালপুর উপজেলায় ২ জন রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯২ জনে গিয়ে দাঁড়ালো। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন অন্তত ২২০ জন। আর মৃত্যুবরণ করেছেন ২ জন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) ল্যাব থেকে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত রাতে ঢাকা থেকে পাঠানো ফলাফলে সর্বোচ্চ ৩৮ জন আক্রান্তের রেকর্ড গড়েছে নাটোর জেলা! নাটোরের সিভিল সার্জন অফিস বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) ল্যাবে শনাক্তরা হলেন নাটোর শহরের চৌধুরী বড়গাছা এলাকার হারুন ব্যাপারী, উত্তর বড়গাছা এলাকার ইয়াসমিন বেগম, পটুয়াপাড়ার জামেলা বেগম ও তার মেয়ে রিফা সানজিদা মিম, লালবাজার মহল্লার হরিশংকর কর্মকার, চৌকিরপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমান, নীচাবাজার এলাকার জয়প্রকাশ আগরওয়াল, নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের স্টাফ তেলকুপি গ্রামের রোকন, মোহনপুর এলাকার আশরাফুল, জেলা তথ্য অফিসের কর্মচারী বড়াইগ্রামের গারফা এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আওয়াল, লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সের সেবিকা বিথী ও তার স্বামী হারুনুর রশিদ। অপর একজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত রাতে ঢাকা থেকে পাঠানো ফলাফলে বড়াইগ্রামে ১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তারা হলেন বনপাড়া বাজারের আব্দুল জব্বার, কোচায়াকোড়া গ্রামের আব্দুল মোতালেব, কুমরুলের ফেরেদৌস আলম, পূর্ণ কলস গ্রামের শাহিন, গোপালপুর গ্রামের সোহাগ, হারোয়া মহল্লার সায়েম, নাজিরপুর গ্রামের শাকিল, কামরুল ইসলাম (ঠিকানা নেই) বনপাড়া বাইপাসের খাদিমুল বাশার, বনপাড়া এলাকার শাকিল, একই এলাকার খাদিমুল বাশার, রাজাপুর বাজারের নবির হোসেন, বড়াইগ্রাম থানার পুলিশ কনেষ্টবল শামসুল ইসলাম, আইন উদ্দিন, শাহাদৎ হোসেন, বনপাড়া মালিপাড়া এলাকার রুকাইয়া খাতুন, মাসুদ রানা, শরিফুল।