নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ ও নিউজ সংগ্রহের সুযোগ পেলেন না বড়াইগ্রামে অধিকাংশ সাংবাদিক। এর ফলে ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা।

জানা গেছে, নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য শেষ তারিখ ২৪ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন উপজেলার তিনটি প্রেসক্লাবের ৩৬ জন সাংবাদিক।

কিন্তু সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. আনোয়ার পারভেজ জানান, যাচাই-বাছাই করে ৩ প্রেসক্লাব থেকে ১০ জন সাংবাদিককে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড ইস্যু করা হয়েছে।

অন্যদের না দেয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই বাছাই করে নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এক্ষেত্রে তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য নিতে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন।

বড়াইগ্রাম কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি অমর ডি কস্তা জানান, তিনি তার প্রেসক্লাবের ১৫ জন সাংবাদিকের জন্য নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও সংবাদ সংগ্রহের জন্য অনুমতি চেয়েছিলেন। সেখানে মাত্র ৪ জনকে অনুমতি দেয়া হয়েছে।

এদিকে বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অহিদুল হক ও বড়াইগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম জানান, তাদের বেলাতেও একই ঘটনা ঘটেছে। মাত্র ৪ জনকে অনুমতি দিয়েছেন বাকীরা সুযোগ পাচ্ছেন না।

তারা আরো জানান, অনেক বড় বড় ও বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিকের উপজেলা প্রতিনিধি নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন না। উপজেলার ৯৯ টি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণের জন্য বা সংবাদ সংগ্রহের জন্য এই গুটিকয়েক সাংবাদিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়াতে গোটা সাংবাদিক সমাজ হতাশ হয়েছেন।

এক্ষেত্রে বিষয়টির প্রতি পুনঃবিবেচনা করতে সাংবাদিকগণ নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এব্যাপারে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ জানান, নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই বাছাই করে তালিকা করা হয়েছে।