আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হঠাৎ করেই শুক্রবার সকালে লেনদেনের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে ১০ রুপি বেড়ে যায় পাকিস্তানের মুদ্রার দর। অর্থাৎ এক ডলার সমান হয় পাকিস্তানের ১৪৪ রুপি, যা এযাবতকালের সর্বোচ্চ।

শুক্রবার এক প্রতিবেদনে একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন জানায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের(আইএমএফ) কাছে দেশটির সরকারের করা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এমনটা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক ডলার সমান ছিল ১৩৪ রুপি। শুক্রবার আন্তঃব্যাংক লেনদেনের শুরুতেই এক ডলার সমান হয়ে যায় ১৪২ রুপি। পরবর্তীতে মুদ্রার মান আরও কমে ১৪৪ রুপি হয়। অবশ্য দিনের মধ্য ভাগে এক ডলার সময় ১৪০ রুপি ছিল।

দিন শেষে এই বিষয়ে দেশটির অর্থমন্ত্রী আসাদ উমার বলেন, রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকেই এই রেট নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। বিদেশি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হ্রাস, কম রপ্তানিসহ বেশকিছু কারণেই এমনটি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সবসময় রুপির মান নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। পিএমএল-এন সরকারের সময়ও ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানি মুদ্রার মান ২৮ রুপি পর্যন্ত কমে যায়। আর এখন যে অবস্থা তৈরি হয়েছে, তার জন্য পিএমএল-এন সরকারের ভুল অর্থনীতিই দায়ী।

এই বিষয়ে এক্সচেঞ্জ কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন অব পাকিস্তানের(ইসিএপি) জেনারেল সেক্রেটারি জাফফার পারাচা ডনকে বলেন, হঠাৎ রুপির মূল্যহ্রাস বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, যদিও এটি প্রত্যাশিতই ছিল।

তিনি বলেন, আইএমএফ ও সরকারে সাম্প্রতিক কথা বার্তায় বোঝায় যাচ্ছিল রুপির মান কমতে পারে। এর ফলে আইএমএফের কাছে থেকে ঋণ পাওয়ার অন্যতম একটি শর্ত পূরণ করলো সরকার।

এখন সরকারের এই বিষয়ে তাদের পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করা উচিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।