বিশেষ প্রতিবেদক: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি বলেছেন, প্রতি বছর বন্যায় হালতিবিল ও চলনবিলবাসীকে প্রতিকূল অবস্থার মোকাবেলা করতে হয়। যখনই দুর্যোগ আছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করেন। এবারও তিনি সার্বিভাবে সহযোগিতা করছেন। বন্যার্ত কেউ না খেয়ে থাকবে না। তাদেরকে পর্যাপ্ত ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ হতে তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা করেছি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে লালোর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ত্রাণ বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় তিনি ত্রিমোহনী, ডাঙ্গাপাড়া, বড়বারইহাটি, ডাকমন্ডপ এলাকার বন্যার্ত ৫শ পরিবারকে ত্রাণ দেন তিনি। এছাড়া তিনি পানিবন্দী পরিবারের চলাচলের জন্য ১৩ টি নৌকা উপহার দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, নাটোরের জেলা প্রশাসক মোঃ শাহরিয়াজ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী আবু রায়হান, ঠিকাদার আব্দুল জব্বার সরদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, লালোর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, লালোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসেন, যুগ্ন সম্পাদক একরামুল হক শুভ প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, একদিকে করোনা অপরদিকে বন্যায় মানুষ দুর্যোগে সময় কাটছে। ৮টি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার লক্ষাধিক মানুষ বন্যা কবলিত। মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে পারে সে জন্য আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ কাজ করছে। ৫২ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তত করা হয়েছে। ১৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষ আশ্রয় নিচ্ছে। বিলহালতি ত্রিমোহনী কলেজের সামনে রাস্তা ভেঙ্গে যাতায়াত বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছিল সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা রক্ষা করা হয়েছে।

এদিকে বিকেলে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার পৌরসভার বিভিন্ন বন্যা কবলিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে নাটোর রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ হতে বন্যার্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে এবং ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৬৪ পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা বিতরণ করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি।

কৃতজ্ঞতা: রাজু আহমেদ