নিউজ ডেস্ক: নাটোরের বড়াইগ্রামে এক বিধবাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয় কিন্তু ভুক্তভোগী নারী অসহায় ও দরিদ্র হওয়ায় পুলিশি সহায়তা নেওয়ার সাহস করতে পারেনি। তবে বিচারের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

জানা গেছে পবিত্র ঈদুল আযহার দিন শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১১ টার দিকে উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার আটুয়া গ্রামের আজহার আলীর ছেলে জামাল উদ্দিন একই গ্রামের মৃত এক ব্যক্তির স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এমতাবস্থায় বিধবার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে জামাল পালিয়ে যায়।

ধর্ষণ চেষ্টার শিকার ভুক্তভোগী নারী জানান, বিধবা হওয়ায় পেটের দায়ে মাঠে কৃষি কাজ করে সংসার চালান। আর এই বিধবা নারীর অসহায়ত্বের সুযোগ নেয় জামাল উদ্দিন। সে ভুক্তভোগী বিধবা নারীকে অনেকদিন ধরেই অনেক ধরণের কুপ্রস্তাব দিয়ে আসতে থাকেন। ভুক্তভোগী নারী জামালের প্রস্তাবে রাজি না হ‌ওয়ায় তৈরি হয় ব্যক্তিগত আক্রোশ। আর এই আক্রোশের প্রতিফলন ঘটে ঈদুল আযহার দিন রাত ১১টার দিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা করে জামাল।

এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয় কিন্তু ভুক্তভোগী নারী অসহায় ও দরিদ্র হওয়ায় সাহস করতে পারেনি পুলিশি সহায়তা নেওয়ার। বিধবা মেয়েটি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে গিয়ে পুরো ঘটনা জানায়। কিন্তু তারাও দিতে পারেনি কোন সুরাহা।

এ ব্যাপারে আটুয়া গ্রামের ওয়ার্ড কাউন্সিলর দুলাল উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ভুক্তভোগী নারী তার কাছে এসেছিল। তিনি ঘটনা শোনার পরে জামাল উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে জামালের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাই ভুক্তভোগী নারীকে পুলিশি সহায়তা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দিলীপ কুমার দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে পুলিশ সবসময়ই কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আমরা অভিযোগ পাওয়া মাত্রই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। তবে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি বলে জানান তিনি।