ক্রীড়া প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছেন মাশরাফি, বিএনপির থেকে আমিনুল কিনেছেন। রাজনীতির মাঠে এ দুইদলের সম্পর্ক প্রবল বৈরি হলেও মাশরাফিকে শুভ কামনাই জানিয়েছেন আমিনুল।

বর্তমানে বিএনপির যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন আমিনুল। মাশরাফি বিন মুর্তজা গত সপ্তাহে নড়াইল-২ আসনে নির্বাচন করার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন সংগ্রহ করেন।

জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক খেলা ছেড়ে অবসরে গেলেও মাশরাফি বিন মুর্তজা কিন্তু খেলে যাচ্ছেন এখনো। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ২০১৯ বিশ্বকাপে তাঁর নেতৃত্বেই মাঠে নামার কথা।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুজনই নেমেছেন ভোটের রাজনীতিতে। দুজনই নির্বাচন করার জন্য মনোনায়নপত্র সংগ্রহ করেছেন শীর্ষ দুই রাজনৈতিক দল থেকে। জাতীয় রাজনীতির মাঠে তাদের নিজ নিজ দল প্রবল বৈরি হলেও মাশরাফির প্রতি কিন্তু আমিনুলের শুভ কামনা থাকছে।

বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলরক্ষক বলা হয় আমিনুলকে। তাঁর বীরত্বেই ২০০৩ সালে সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। এর পরে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে জাতীয় দলে খেলেছেন, অধিনায়কত্বও করেছেন। খেলার মাঠে খেলোয়াড় সুলভ আচরণ তাঁর ছিল চমৎকার। নির্বাচনী ময়দানে নেমেও সেই গুনটা বজায় রাখলেন তিনি।

আমিনুল হক বলেন, ‘মাশরাফির জন্য শুভ কামনা। বর্তমান খেলোয়াড় হিসেবে সে নির্বাচনে আসায় কিছুটা সমালোচনা হয়েছে। আমার মতো খেলা ছেড়ে রাজনীতিতে আসলে হয়তো এই সমালোচনাটা হতো না। তবে আমি মনে করি মাশরাফির মতো তরুণেরা সংসদে গেলে গুণগত পরিবর্তন আসবে। তাঁর জন্য সব সময় শুভ কামনা থাকবে।’

ঢাকা-১৪ ও ১৬ আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছেন আমিনুল হক এবং পাবেনও বলে আশাবাদী, ‘আমি মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে পুরোপুরি আশাবাদী। আমি দলীয় হাই কমান্ডের নির্দেশেই ঢাকা-১৬ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছি। আশা করছি এ দুটির যে যেকোনো একটিতে দল আমাকে মনোনয়ন।’