তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। (পুরনো ছবি)

নিউজ ডেস্ক: ধর্ষণকারীরা যে পরিচয়ই ব্যবহার করার চেষ্টা করুক না কেন, তাদের কঠোর হাতে দমন করার জন্য সরকার বদ্ধপরিকর মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি দলীয়ভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশে নারী ধর্ষণ করেছে।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিএনপি’র মন্তব্য ‘সরকারের জবাবদিহিতার অভাবে দেশে খুন-ধর্ষণ বাড়ছে’ বিএনপির এমন বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যারা এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত, যারা এগুলো করছে, তারা হচ্ছে দুষ্কৃতকারী। তাদের অন্য কোনো পরিচয় থাকতে পারে না। সরকার এ ধরনের দুষ্কৃতকারীদের কঠোর হাতে দমনে বদ্ধপরিকর। এর আগেও এ ধরনের যেসব ঘটনা ঘটেছে, অনেকগুলোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ ছাড় পায়নি, পাবেও না।

তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ২০০১ সালের পর ৮ বছরের শিশুকে, অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে এমনকি নৌকায় ভোট দেয়ার অপরাধে পুরো গ্রাম অবরুদ্ধ করে সেখানকার মহিলাদের ধর্ষণ করা হয়েছে। সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো অনেকে বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে। সুতরাং যারা দলীয়ভাবে এ ধরনের অপকর্ম করেছে এবং এর বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই, তাদের এ নিয়ে কথা বলার কতটুকু নৈতিক অধিকার আছে, সেটিই বড় প্রশ্ন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেছেন, মানুষের কথা বলার অধিকার নেই। অথচ তারা সকালে একবার, দুপুরে একবার, আবার বিকেলে আরো একবার সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে। মির্জা ফখরুল সাহেব বললেন, তার সাথে প্রতিযোগিতা দিয়ে রিজভী সাহেব বা আরো দু-একজন নেতা সকাল-বিকেল-দুপুর বিষোদগার করে আর বলেন, আমাদের কথা বলার অধিকার নেই, যা হাস্যকর।