নিউজ ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, বিএনপি আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিয়ে সরকারের পতন চায়। বিএনপি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সহিংস করার অপচেষ্টা করছে, সরকার এবিষয়ে সজাগ রয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বর্ধিত সভায় যুক্ত হন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, বিএনপি অভিযোগ করছে দেশে গণতন্ত্র নেই। আমরা বলতে চাই, প্রতিদিন গণমাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে তারা যে ফ্রি-স্টাইলে বিষাদাগার করছেন, গণতন্ত্র না থাকলে তা কি করতে পারতেন? তাদের দলের কাউকে কি এজন্য জেলে যেতে হচ্ছে? গণতন্ত্র আছে বলেই তারা সরকারের সমালোচনা করতে পারছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অপরাধী বা ধর্ষকের জন্য শাস্তিই শেষ কথা নয়। তারা যদি কোনো রাজনৈতিক ছায়ায় থাকে তাহলে তাদের চিরতরে রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করতে হবে। ধর্ষণকারীদের জন্য কোনো রাজনৈতিক দল যেন আশ্রয়ের ঠিকানা না হয়। এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনকে আপোষহীন থাকতে হবে।

যারা ষড়যন্ত্রকারী, গুজব রটনাকারী তাদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের নামে যেকোনো ধরনের অস্থিরতা ও ষড়যন্ত্র সৃষ্টির অপপ্রয়াস জনস্বার্থে সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে। দলের কোনো পর্যায়েই সন্ত্রাসী, ধর্ষক ও মাদকসেবীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। কমিটি গঠনে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে।

নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকার সোচ্চার জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়ম করে যেমন কেউ ছাড় পায়নি, তেমনি নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধেও সরকারের অবস্থান কঠোর। যেখানে যা ঘটুক কোনোটির সরকার ছাড় দেয়নি। অপরাধীকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনেছে। দুর্নীতি ও অপরাধের মূলোৎপাটনে শেখ হাসিনার কোনো পিছুটান নেই।