নিজস্ব প্রতিবেদক: বড়াইগ্রামের সঞ্জিত হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। তারা আব্দুল্লাহ আল সাকুর ওরফে রানা মাস্টার নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। সে বড়াইগ্রামের মহানন্দাগাছার হাবিবুর রহমানের পুত্র। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ক্ষুর উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

রোবাবর (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করলে আসামি রানা মাস্টার স্বেচ্ছায় হত্যার বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে ঠিক কি কারণে সঞ্জিত বিশ্বাসকে হত্যা করা হয়েছে তা জানায়নি পুলিশ। এমনকি আর কারা জড়িত সে বিষয়ে ও জানানো হয়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্তকারী অফিসার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ সুমন আলীসহ বড়াইগ্রাম থানার একটি দল রোববার হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও হত্যাকারী আব্দুল্লাহ আল সাকুর ওরফে রানা মাস্টারকে আটক করেছে। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ক্ষুর উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করলে আসামি রানা মাস্টার স্বেচ্ছায় হত্যার বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকালে উপজেলার জালোড়া গ্রামের একটি বাঁশ বাগান থেকে সঞ্জিত বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সঞ্জিত বিশ্বাস একই গ্রামের সত্যেন বিশ্বাসের ছেলে। নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে সঞ্জিত বাজারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তার কোন খোঁজ না পেয়ে পরিবারের লোকজন মোবাইলে ফোন দিয়ে তা বন্ধ পায়। রাতেই বিভিন্ন স্থানে তাকে খোঁজাখুঁজি করেও কোনও সন্ধান পায়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে প্রতিবেশীরা বাড়ি সংলগ্ন বাঁশ বাগানের পাশ দিয়ে চলাচলের সময় রক্তাক্ত একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।