নিজস্ব প্রতিবেদক: বড়াইগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মোছা. শিলা খাতুন (১৪) নামের ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়েছে। শিলা উপজেলার খোর্দ্দনন্দ কাছুটিয়া গ্রামের আবু সাইদের মেয়ে ও জোয়াড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।

রোববার (২৪ মার্চ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ার পারভেজ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

জোয়াড়ী ইউপি চেয়ারম্যান চাঁদ মাহমুদ জানান, বাল্যবিয়ের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধায় ইউএনও আনোয়ার পারভেজ কনের বাড়িতে যান। সেখানে তখন বিয়ের দাওয়াতিদের খাওয়া-দাওয়া চলছিল। ইউএনওর উপস্থিতিতে সকলে পালিয়ে যায়। পরে কনের মা শরিফা বেগম, চাচা ছইমুদ্দিনকে নিয়ে এসে স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলামের জিম্মায় দিয়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সাথে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পারভেজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খোর্দ্দনন্দ কাছুটিয়া গ্রামের আবু সাইদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় ওই বাড়িতে বাল্যবিবাহের প্রস্তুতি চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে বাল্য বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, নির্ধারিত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে না মর্মে মেয়ের মা শরিফা খাতুন ও মেয়ের চাচা ছাইমদ্দিন সেখের মুচলেকা নিয়ে শিলাকে স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলামের জিম্মায় রাখা হয়েছে।