ছবি: প্রতীকী

নিউজ ডেস্ক: নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্বামী পরিত্যক্তা এক তরুণীকে (২৫) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কথিত প্রেমিক সুজন আলীসহ তিন যুবকের বিরুদ্ধে। গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বাহিমালি বলিদাঘাটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন, প্রেমিক উপজেলার বাগডোব গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে সুজন আলী (২৮), বাহিমালি বলিদাঘাটি গ্রামের আফসার আলীর ছেলে রবিউল করিম (২৮) এবং সুজনের বন্ধু বাগডোব গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে মহিদুল (২৮)।

এদিকে ঘটনার পর থেকে নির্যাতিত তরুণী আত্মগোপনে রয়েছেন। এছাড়া অভিযুক্ত ও স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহলের চাপে ভুক্তভোগী তরুণীর বাবাও থানায় মামলা করতে যেতে পারছেন না। তবে সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে তিনি অভিযুক্ত তিন যুবকের বিচার দাবি করেছেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বড়াইগ্রাম উপজেলার বাগডোব এলাকার স্বামী পরিত্যক্তা তরুণীর সঙ্গে আদগ্রামের সুজন আলীর মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত বুধবার দুপুরে সুজন ও তার বন্ধু বেড়াতে যাবার কথা বলে ঐ তরুণীকে নিয়ে বিভিন্ন যায়গায় ঘুরিয়ে সন্ধ্যায় বাহিমালি বলিদাঘাটির রবিউল করিমের বাড়িতে যায়। এ সময় সুজনের বন্ধু মহিদুলও তাদের সঙ্গে যায়। পরে রবিউলের বাড়িতে নিয়ে তারা তিনজন মিলে তরুণীকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে রোববার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তৌহিদুল অভিযুক্ত রবিউলের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেন কিন্তু এসময় রবিউল পলাতক ছিল বলে জানায় পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস জানান, আমরা এ ব্যাপারে তদন্ত করছি। অভিযুক্তদের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।