নিউজ ডেস্ক: নাটোরের বড়াইগ্রামে দুই ট্রাক ও বাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের ঝলমলিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. রেজওয়ানুল ইসলাম ও বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আকরামুল হাসান।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার কারবালা এলাকায় নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুরিয়া গ্রামের মৃত নবির উদ্দিনের ছেলে ট্রাকচালক মন্টু (৪০), খাগড়াছড়ির সুধির মেম্বারপাড়া গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে বাসচালক আলমঙ্গীর হোসেন (৩০) ও খাগড়াছড়ির দিঘিনাল উপজেলার রশিদনগর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী বাসযাত্রী মাসুরা বেগম (৪৫)।

জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল আটটার দিকে কারবালা এলাকায় হয়বতপুর থেকে শরীয়তপুরগামী আলু বোঝাই ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ট ২০-৯২৯২) সঙ্গে খুলনা থেকে নাটোরগামী সার বোঝাই ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো ট ২৮-৭৯৮৭) মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। একই সময় খাগড়াছড়ি থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী বাস শান্তি পরিবহন (ঢাকা মেট্রো ব ১৪-১১৮৭) দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে বাস-ট্রাকের চালক হেলপার ও একজন পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে আটজন আহত হয়েছেন। পরে খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও বনপাড়া ফায়ার সার্ভিস টিম ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আকরামুল হাসান জানান, আহতদের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

অন্যদিকে হাইওয়ে পুলিশের ঝলমলিয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. রেজওয়ানুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার কারণে নাটোর-বনপাড়া মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত দুইটি ট্রাক ও বাস ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান