নিউজ ডেস্ক: নাটোরের বড়াইগ্রামে শাশুড়িকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে আলমগীর হোসেন (২৫) নামে এক জামাইকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সুমন আলী।

শনিবার (১১ জুলাই) আটক আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ে করেছেন। আলমগীর উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের চামটা ইন্দ্রাপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে আলমগীরের সাথে বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের মালোয়েশিয়া প্রবাসী মোজাহার আলীর মেয়ে মুক্তি খাতুনের (২০) বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই আলমগীর যৌতুকের জন্য মুক্তির উপর নির্যাতন শুরু করে। এর ফলে বিভিন্ন সময় মুক্তির মা আছিয়া বেগম জামাই আলমগীরকে সব মিলিয়ে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেয়। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় আবারও টাকার দাবি করলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে জামাই-শাশুড়ির বাকবিতন্ডার এক পর্যায় আলমগীর পাকেটে নিয়ে আসা ধারালো চাকু দিয়ে শাশুড়ি আছিয়া বেগমের গলা কাটার চেষ্টা করেন। পরে তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে আলমগীরকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ আলমগীরকে থানায় নিয়ে আসে। একই সাথে গুরুতর আহত আছিয়া বেগমকে বড়াইগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) সুমন আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ আলমগীরকে থানায় নিয়ে আসে। একই সাথে গুরুতর আহত আছিয়া বেগমকে বড়াইগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় মুক্তির মামা কামাল হোসেন শনিবার আটক আলমগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ে করেছেন।