নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে আপিল করেছেন বিএনপির রাজশাহীর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাটোর জেলা সভাপতি রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। তিনি তিনি নাটোর-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলে কনভিকশন আছে জানিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা সেটি বাতিল করেন।

মঙ্গলবার সকালে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবন চত্ত্বরে মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করতে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান দুলু।

দুলু অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

দুলু বলেন, হাজী সেলিম ১৩ বছরের জেল নিয়ে যদি নির্বাচন করতে পারেন, পঙ্কজ দেবনাথ আমার সঙ্গে দুদকের মামলায় প্রায় দুই-আড়াই বছর জেলে ছিলেন। দুদকের মামলায় তারও ১২ বছরের জেল আছে। পঙ্কজ দেবনাথ ও হাজী সেলিম যদি নির্বাচন করতে পারেন, তা হলে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, ইকবাল হাসান টুকুসহ বিএনপি নেতারা কেন নির্বাচন করতে পারবেন না?

তিনি আরও বলেন, বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে এ রকম ষড়যন্ত্র হবে ধারণা করেই বিএনপির এক আসনে একাধিক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই বিএনপির অনেকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

তার মনোনয়নপত্র কেন বাতিল করা হয়েছে, এমন প্রশ্নের উত্তরে দুলু বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ- আমার নাকি মামলা আছে। আমি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। কিন্তু গত এক বছর আগে আমি এটি সাসপেনশন করেছি এবং সাসপেনশন করলে নির্বাচন করতে কোনো সমস্যা নেই।

তিনি বলেন, আমি মনে করি- যেহেতু সরকার আমাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগই দেয়নি। রিটার্নিং অফিসারের কাছে আমরা যখন কাগজ জমা দিতে গেছি, জানতে চেয়েছি-কী কারণে আমাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হল? তিনি বললেন- আপনারা আপিলে গিয়ে এ কথাগুলো বলুন।

রুহুল কুদ্দুস বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, যে অভিযোগে আমাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন অবশ্যই এসব তদন্ত করে ও দেখে আমাদের মনোনয়নপত্র বহাল করবেন। এ কারণে আমাদের দল বিভিন্ন এলাকায় দুই-তিনজন করে প্রার্থী দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমরা আশঙ্কা করেছিলাম, বিএনপির প্রার্থীদের বাতিল করা হবে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করলাম। সুবিচার না পেলে আদালতে আপিলে যাব।