ছবি: প্রতীকী

নিউজ ডেস্ক: এবার লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে এক বিধবা নারীকে (৩৮) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ধর্ষণের শিকার নারীর হাত-পা, মুখ ও চোখ রশি ও টেপ দিয়ে বেঁধে ঘরের পেছনে ফেলে রেখে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে অভিযান চালিয়ে সোহেল ও জামাল নামের দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে রামগতি থানা পুলিশ। এর আগে সোমবার সকালে ভুক্তভোগী নারী রামগতি থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। পরে দুপুরে অভিযান চালিয়ে উপজেলার চরপোড়াগাছা গ্রাম থেকে দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযুক্ত সোহেল চরপোড়াগাছা গ্রামের আবু আহম্মদের ছেলে। জামাল একই এলাকার সৈয়দ আহম্মদের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরপোড়াগাছা গ্রামে স্বামী মারা যাওয়ার পর একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়ে একাই বাড়িতে বসবাস করছিলেন ভুক্তভোগী নারী। এর মধ্যে আসামিরা তাকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। সম্প্রতি এ নিয়ে তাদের সঙ্গে বিধবা নারীর বাগিবতণ্ডাও হয়। তখন বিধবাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয় হয় অভিযুক্ত আসামিরা।

এখনো দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার বিধবা নারীর হাত-পায়ে প্লাস্টার (ব্যান্ডেজ) রয়েছে। এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত শনিবার রাতে ঘরের দরজা ভেঙে আসামিরা ভিতরে ঢুকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ সময় নারীর স্পর্শকাতর স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে বলে স্বজনরা জানিয়েছে। এ ব্যাপারে গত রোববার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাত-পা, মুখ ও চোখ বাঁধা অবস্থায় ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রামগতি থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, গ্রেফতার দুজনকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হবে। বাকি তিন আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।