নিউজ ডেস্ক: নাটোরের লালপুরে অজ্ঞাত মহিলা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সাথে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ঘাতক টুটুলকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নাটোরের পুলিশ সুপার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর লালপুর উপজেলার ডহরশীলা থেকে শ্রীরামপুর গামী রেলগেটের পাকা রাস্তার পাশে একটি লিচু বাগান থেকে অজ্ঞাত এক মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত নারী লাকি বেগম (৩৫) লালপুর উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের ইসমাইলের সাবেক স্ত্রী। আর ঘাতক আটক টুটুল লালপুর উপজেলার আড়বাব গ্রামের মানিক আলীর ছেলে।

ঘাতক টুটুল জানায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার লাকি বেগমের সাথে তার ভাই ইসমাইলের বিয়ে হয়। এরপর লাকি তার (টুটুল) দুলাভাই একই উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে আসাদুলের সাথে পরক্রিয়া করে দুইবার বিয়ে করে। এ নিয়ে বোনের সংসারে অশান্তি লেগেই ছিল। পরে টুটুল ও তার ভাগিনা আসাদুল মিলে লাকিকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৭ অক্টোবর লাকিকে ঈম্বরদী বাইপাসে ডেকে নেয়। এরপর লালপুরের ডহরশীরা নামক স্থানে টুটুল ও আসাদুল মিলে লাকিকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, গত ৭ অক্টোবর লালপুর উপজেলার ডহরশীলা থেকে লাশ উদ্ধারের পর তার হাতের ছাপ নিয়েও এনআইডিতে তার ঠিকানা পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় একজন গ্রাম পুলিশের দেওয়া তথ্যের ওপর নির্ভর করে পুলিশ তদন্তে নামে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অবশেষে গত ১৩ অক্টোবর মাগুড়া জেলার শিমুলের ঢাল নামক স্থানের একটি লেবার শেড থেকে টুটুল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে টুটুল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে বুধবার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে।