cof_soft

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিংড়া উপজেলার ছাতারদিঘী ইউনিয়নের উদিশা গ্রামের প্রায় ৩০টি পরিবার পূর্বপুরুষের আমল থেকে নিজ জমির ভোগ দখল করে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি সিই সব জমির দাগ নং ‘খ’ তফসিলভুক্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। এ নিয়ে ইউএনও এবং ইউপি চেয়ারম্যানের শরনাপন্নও হয়েছে তারা।

জানা যায়, ২০১৪ সালে দেবাশীষ পৈত্তিক সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য সিংড়া সহকারী কমিশনার ভূমি বরাবর আবেদন দাখিল করে। সম্প্রতি ইউনিয়ন ভূমি অফিস, সার্ভেয়ার তদন্ত করে উদিশা গ্রামে দেবাশীষের আবেদনের প্রেক্ষিতে ‘খ’ তফসিলভুক্ত করে সম্পত্তি ফিরে দেয়া হয়। এরপর জমির খাজনা খারিজ করে দেবাশীষ। পরে গ্রামের লোকজনের সাথে বসে বিরোধ না করে স্ব স্ব দখলকৃত জমি তাদের নামে লিখে দেয়ার জন্য জানায়। কিন্তু গ্রামের লোকজন বিষয়টি সহজভাবে নেয়নি। দেবাশীষের জন্মস্থান এ গ্রামে হলেও পূর্বপুরুষের আমল থেকে দখলকৃত জমি তারা লিখে নিতে রাজি নয়। স্থানীয়দের অভিযোগ দেবাশীষ একবার ধর্মান্তরিত হয়েছিলো। তার প্রকৃত নাম ওমর ফারুক।

এ সব বিষয়ে দেবাশীষ জানান, গ্রামের কিছু প্রভাবশালী ছোটবেলা ১ মাসের অধিক সময় আমাকে অপহরণ করে রাখে। পরে তাদের চাপে আমি এলাকা ছাড়া হই। ঐ সময় আমাকে মুসলিম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা হয়। দীর্ঘদিন থেকে বগুড়ায় বসবাস করে আসছি। অনেক কষ্টে সন্তানদের পড়ালেখা করাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, আমি একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। কেউ কেউ ফায়দা লুটার জন্য গ্রামের লোকজনকে বিভ্রান্ত করছে। কারণ গ্রামবাসীর সাথে সুষ্ঠু সমাধানের জন্য আমি তাদের সাথে বসে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছি। ইতিমধ্যে তিনজনকে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছি। কিন্তু তাদেরকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, বিধি মোতাবেক এই সম্পত্তি দেবাশীষকে দেয়া হয়েছে, সে উক্ত সম্পদের মালিক। ঐ গ্রামের ৩০টি পরিবারের জায়গার কোন কাগজপত্র নেই।