নিজস্ব প্রতিবেদক: সিংড়ায় শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া বজ্রপাতে আব্দুল মমিন (৩০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছে। সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বুধবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার শালমারা গ্রামে বাড়ির পাশের মাঠের মধ্যে এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। নিহত মমিন শালমারা গ্রামের মৃত ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে।

ইটালি ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আরিফুল ইসলাম জানান, কৃষক আব্দুল মমিন বাড়ির পাশের মাঠে কৃষি কাজ করছিলেন। এসময় বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। বৃষ্টি শেষেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খুঁজতে খুঁজতে মাঠে গিয়ে মমিনের মৃতদেহ দেখতে পান।

সিংড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার সাজ্জাদ হোসেন জানান, শিলাবৃষ্টির কারণে ফসলসহ বিভিন্ন সবজি বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমান নিরুপণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হচ্ছে, সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে।

এদিকে সুশান্ত কুমার ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা ও শুকনো খাবার পৌঁছে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেদার হায়াত, স্থানীয় মেম্বার মকলেছুর রহমান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, গত রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে নাটোরজুড়ে শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সিংড়া উপজেলাসহ নাটোরের ৫২টি ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে চৌগ্রাম, তাজপুর, লালোর, শেরকোল, ডাহিয়া, সুকাশ, ইটালী ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।